তৈলাক্ত (Oily) এবং কম্বিনেশন ত্বক: যাদের ত্বক খুব বেশি তেলতেলে, টি-জোন (কপাল, নাক, থুতনি) ঘামে বা তেল চিটচিটে থাকে।
ব্রণ ও পোরস সমস্যাযুক্ত ত্বক: যাদের মুখে ঘন ঘন ব্রণ, ব্ল্যাকহেডস (Blackheads), হোয়াইটহেডস এবং রোমকূপ বা পোরস বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যা আছে।
১. অতিরিক্ত তেল বা সিবাম নিয়ন্ত্রণ: ত্বকের ভেতর থেকে অতিরিক্ত তেল টেনে বের করে মুখ ম্যাট রাখে। ২. ব্রণ ও দাগ দূরীকরণ: এতে থাকা স্যালিসিলিক অ্যাসিড (Salicylic Acid) ব্রণের জীবাণু ধ্বংস করে এবং নতুন ব্রণ হওয়া রোধ করে। ৩. ওপেন পোরস ও ব্ল্যাকহেডস: স্ক্রাব হিসেবে কাজ করার সময় নাকের বা চিনের জেদি ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস পরিষ্কার করে পোরস টাইট করতে সাহায্য করে। ৪. ত্বকের মৃত কোষ বা ডেড সেল দূর করা: ত্বকের উপরিভাগের মরা চামড়া পরিষ্কার করে স্কিন ব্রাইট ও ফ্রেশ করে।
মূল অ্যাক্টিভ উপাদান: স্যালিসিলিক অ্যাসিড (Salicylic Acid) এবং নিয়াসিনামাইড (Niacinamide)। স্যালিসিলিক অ্যাসিড পোরসের ভেতর পরিষ্কার করে, আর নিয়াসিনামাইড ব্রণের লালচে ভাব ও দাগ কমাতে সাহায্য করে।
ক্লে (Clay Base): এতে কওলিন ক্লে বা মিনারেল ক্লে থাকায় এটি অতিরিক্ত তেল শুষে নেয়।
নিরাপদ কিনা: তৈলাক্ত ত্বকের জন্য এটি ডার্মাটোলজিক্যালি পরীক্ষিত এবং সম্পূর্ণ নিরাপদ। তবে যেহেতু এটি একটি ডিপ ক্লেনজিং ও ক্লে বেসড প্রোডাক্ট, তাই খুব বেশি শুষ্ক (Dry) বা সেনসিটিভ (Sensitive) ত্বক এটি এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ এটি ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক করে ফেলতে পারে।
এর টেক্সচারটি বেশ ঘন ও ক্রিমি ক্লে (Clay) টাইপের, যার মধ্যে ছোট ছোট স্ক্রাবিং পার্টিকেল বা দানা থাকে। মুখে লাগানোর পর এটি দ্রুত শুকিয়ে একটি ফেস প্যাকের রূপ নেয়। ধুয়ে ফেলার পর ত্বক একদম ফ্রেশ এবং তেলমুক্ত অনুভূত হয়।
এটি আপনি ৩টি ভিন্ন উপায়ে ব্যবহার করতে পারবেন: ১. ফেসওয়াশ হিসেবে (Daily Wash): প্রতিদিন সকালে বা বাইরে থেকে এসে ভেজা মুখে হালকা ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন—এটি দৈনিক ময়লা ও তেল দূর করবে। ২. স্ক্রাব হিসেবে (Scrub): সপ্তাহে ২-৩ দিন ভেজা মুখে আলতো করে গোল গোল করে ঘষুন (বিশেষ করে নাকের পাশে)—এটি ব্ল্যাকহেডস দূর করবে। ৩. ফেস মাস্ক হিসেবে (Mask): সপ্তাহে ১-২ বার মুখে লাগিয়ে ৩-৫ মিনিট রেখে দিন যতক্ষণ না শুকায়, এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন—এটি গভীরভাবে ত্বক ডিটক্সিফাই করবে।
0 Items